মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এবার টিভি দেখুন আপনার মোবাইলে তাও আবার কোন বাফারিং ছাড়া।



 


এবার টিভি দেখুন আপনার মোবাইলে তাও আবার কোন বাফারিং ছাড়া।
খেলা দেখুন।
আপনার আন্ড্রয়েড ফোন কে বানিয়ে ফেলুন টিভি...
ডাউনলোড
 https://drive.google.com/file/d/0BzrwmqBBBEC3c0NwU2dNZFRkdUk/view



এবার টিভি দেখুন আপনার মোবাইলে তাও আবার কোন বাফারিং ছাড়া।
খেলা দেখুন।
আপনার আন্ড্রয়েড ফোন কে বানিয়ে ফেলুন টিভি...
ডাউনলোড
 https://drive.google.com/file/d/0BzrwmqBBBEC3c0NwU2dNZFRkdUk/view

রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আপনার ফোনের সামনের ক্যামেরার পাশে সেন্সর এ হাত দিয়েই ফোনের স্ক্রিন অন-অফ করুন power button, double tap এর দিন শেষ(updated)

আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন সব সময় ভালো থাকেন এই কামনা করি। এখন থেকে Mobile এর Sensor এ আঙ্গুল রেখে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল Lock/Unlock করুন খুব সহজেই!! এই App টি ১০০% কাজ করবেই।আপনার সামনে ক্যামেরার পাশে এই সেন্সর টি থাকেন App name :Wave lock size:1mb http://trickbd.com/wp-content/uploads/2016/09/12/Screenshot_2016-09-12-09-17-22.png নাম শুনেই হয়ত বুঝে গেছেন যে App.টা কি ? অনেকেই প্রশ্ন করে যে Display তে Touch না করে কিভাবে Lock খুলব? Power Button ছারা কিভাবে Mobile Unlock করব ? আরও নানা রকম প্রশ্ন করে থাকে এ বিষয় নিয়ে। এখন নিয়ে নিন এই সমস্যার সমাধান। App টি Download করে Install করুন। এবার Swipe করে একদম নিচে চলে যান। এবার “wave to lock screen” এ Click করুন। Device administrators এর Permission চাইবে। Activated এ Click করুন। এবার Wave to unlock Open করে একদম উপরে গিয়ে “Start” এ Click করুন। Notification Bar এ একটি Notification আসবে। দেখবেন আপনার Mobile এর Light Sensor এর Light On হয়ে গেছে। এখন Sensor এ আঙ্গুল রেখে দেখুন Mobile Lock হয়ে গেছে। আবার Sensor এ আঙ্গুল রেখে দেখুন Screen On হয়ে গেছে Without Power Button। এই Apps টা ব্যবহার করে অন্তত ফোনর PowerButton টা রক্ষা কইরেন ! Download link: click here

ভাইরাস,ট্রোজান,ওয়রম,স্পাইওয়্যার,অ্যাডওয়ারে আর মেলওয়ার

প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যাবহারকারির সংখ্যা বেরে চলেছে , সেই সাথে বেরে চলেছে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারির সংখ্যা , বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারির সংখ্যা ২,০৭৬,১৫৫,০০০ উপরে (INTERNET USAGE STATISTIC), বেরে চলেছে বিভিন্ন ওয়েব সাইট । প্রতিদিন আমরা কতইনা ওয়েবসাইটে ঘুরে বেরাই , কত চেনা কত অচেনা, এভাবে আমরা সম্মুখীন হই কোন ভাইরাস,স্পাইওয়্যার,ট্রোজান বা এরকম অনেক সমস্যায় । পুরনো দিনে আমরা এরকম সবকিছু কে ভাইরাস নামে চিনতাম , তাহলে কেন এই নামের ভিন্নতা ! আসলে এই নিরাপত্তা জনিত হুমকি গুলোকে আরও বেশি যথাযত শ্রেনীবিভাগ করতে এই নাম গুলো দেওয়া হয়েছে । ভাইরাস Virus কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে একটি ক্ষুদ্র প্রোগ্রাম, যা আপনার অজান্তে কম্পিউটারকে সংক্রমিত করার জন্য তৈরি করা হয়ে থাকে, এধরনের প্রোগ্রাম কি করবে তা নির্ভর করে প্রোগ্রামার একে কি কাজের জন্য তৈরি করেছে । এটি আপনার ফাইল নষ্ট করতে পারে, অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট করতে পারে, নিজেকে আপনার কোন ফাইলে রেপ্লিস করতে পারে, নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে, এমনকি একটি বুট ভাইরাস আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারও ধ্বংস করতে সক্ষম । সহজ ভাবে বলতে হলে, একটি জিবন্ত ভাইরাস আমদেরকে যে ভাবে ক্ষতি করতে পারে কম্পিউটার ভাইরাসও এরকম ক্ষতি করতে পারে । আমরা যে ভাবে এক জন থেকে আন্য জন্য ভাইরাসে সংক্রমিত হই , কম্পিউটার ভাইরাসও এক কম্পিউটার থেকে ডিস্ক,নেট,পেন ড্রাইভ বা অন্য কোন যোগাযোগের মাধ্যমে ছরিয়ে পরে । ট্রোজান trojan ভাইরাসের পরপরি বর্তমানে সবচে বড় নিরাপত্তা জনিত হুমকি হচ্ছে ট্রোজান বা ট্রোজান হরসেস । একটি ভাইরাস এবং একটি ট্রোজান এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য যে এটি নিজেকে অন্য কোন ফাইল বা প্রোগ্রামে রিপ্লেস করে না , তাই বলে এটি কম ক্ষতিকারক নয় । ট্রোজানের প্রধান কাজ হচ্ছে অপারেটিংএ প্রোগ্রামারের জন্য ব্যাকডোর(backdoor) তৈরি করা । আর একবার ব্যাকডোর হলে প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারের স্ক্রিপ্ট(Scripts) আপনার কম্পিউটারে রিমোটলি নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে সব কিছুই করতে পারবে । এছারাও ট্রোজান ভাইরাসের মত আমাদের কম্পিউটারের অনেক ভাবে ক্ষতি করতে পারে । দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এই ট্রোজানকে বেশির ভাগ সময় আমরা নিজেরাই ইনস্টল করে থাকি , কিভাবে ! যখন আমরা কোন ক্র্যাক করা প্রোগ্রামস ইনস্টল করি, কোন কীগান ব্যাবহার করি, কোন প্যাঁচ ব্যাবহার করি বা কোন ওয়েব থেকে ফ্রী গেমস ইনস্টল করি , এমনকি কোন MP3 বা ছবির ফাইল থেকেও ট্রোজানের শিকার হতে পারি । ওয়রম Worm ওয়রম(worm) বা ক্রিমি , ক্রিমিরা যা করে , এটি ফায়ারওয়াল্ল ছিদ্র সৃষ্টি করে সয়ংক্রিয়ভাবে এক পিসি থেকে অন্যান্য পিসিতে নিজের কপি পাঠায় । নেটওয়ার্ককে এরা খুব দ্রুত ছরিয়ে পরতে পারে । এটি সবচে বড় সমস্যা করে কম্পিউটারের নিরাপদতা বেষ্টনীতে ,যা থেকে আপনার কম্পিউটার আনান্য ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে । এছারাও এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে সর্বচো ব্যাবহার করে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে । স্পাইওয়্যার spyware স্পাইওয়্যার মূল কাজ হচ্ছে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে তার রচয়িতাকে পেরন করা , যাতে তারা এই সব তথ্য আইনবহির্ভূত কাজে ব্যাবহার করতে পারে । স্পাইওয়্যার আপনার ব্রাউজারের হোম পেজ পরিবর্তন, সার্চং পেজ পরিবর্তন , অনাকাংকিত টুলবার যোগ করে নানান সমস্যার সৃষ্টি করে, যা খুবই বিরক্তকর । এছাড়া এই সমস্ত স্পাইওয়্যার সাথে কীলজ্ঞিং(keylogging) থাকতে পারে , যা থেকে স্পাইওয়্যার রচয়িতা আপনার ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, ইউজার নামের মত বিভিন্ন তথ্য পতে পারে । স্পাইওয়্যার নিজে নিজে ছড়াতে পারে না, এটা কোন প্রোগ্রামের বা ওয়েবপেজর অংশ হিসেবে কম্পিউটার ইনস্টল হয় , তারপর তার কাজ শুরু করে । সবচে বড় ভাবনার বিষয় হচ্ছে , সাধারণ এন্টিভাইরাস এদের শনাক্ত করতে পারে না । এর জন্য এন্টিভাইরাসে এন্টিস্পাইওয়্যার অপশন থাকতে হয় । অ্যাডওয়ার adware অ্যাডওয়ার সধারন্ত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন কাজে ব্যাবহার হয় , যেমন উইন্ডোজ লাইভ মেসেঞ্জার বা ইয়াহু মেসেঞ্জারে অ্যাডওয়ার সংযত করা থাকে । যাকিনা মেসেঞ্জার ইনস্টল করার সময় চক্তির অন্তর্ভুক্ত থাকে । এছাড়াও অনেক প্রকার অ্যাডওয়ার আছে , যে সব আপনার অনুমতি ছারাই কম্পিউটার ইনস্টল হতে পারে , যদিও অ্যাডওয়ার সরাসরি আমাদের কোন ক্ষতি করে না তবুও অবৈধ অ্যাডওয়ার অনান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম আনার রাস্তা হয়ে যায় । মেলওয়ার malware মেলওয়ার(malware)কেও বানান হয় অসদুদ্দেশ্য । মেলিকিওউস(malicious) সফটওয়্যারের সংক্ষিপ্ত রূপ মেলওয়ার । ঘটনাক্রমে যদি পিসিতে মেলওয়ার ইনস্টল হয়, তাহলে এটি ভাইরাস,ট্রোজান,ওয়রম,স্পাইওয়্যার,অ্যাডওয়ারে বা অন্য মেলওয়ার কাজে ব্যাবহার করতে পারে, মোট কথা উপরের যেকন ক্ষতিকারক দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে ।মেলওয়ারকেও সাধারণ এন্টিভাইরাস শনাক্ত করতে পারে না , আর ক্র্যাক করা এন্টিভাইরাসের কথা নাই বা বললাম ।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ৫ টি সুবিধাজনক কৌশল

১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একে নিজের ইচ্ছেমতো সাজাতে পারবেন। এ ছাড়া অসংখ্য অ্যাপের ব্যবহারে ব্যাপক সুবিধা ভোগ করা যায়। আবার লঞ্চার ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইলের অ্যাপগুলোকে সাজিয়ে রাখতে পারবেন। ২. গুগলের পুরো সুবিধা মিলবে কেবলমাত্র অ্যান্ড্রয়েডে। জিমেইল, ক্যালেন্ডার, ফটোস এবং অন্যান্য দারুণ কিছু অ্যাপ পাবেন। আরো আছে গুগলের ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট। এ ছাড়া সর্বসাম্প্রতিক সংস্করণ মার্শমেলোতে গুগল নাউ নামের লঞ্চার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মার্শমেলোর সঙ্গে গুগল সার্চ অপশন পাবেন। সেখান থেকে যখন তখন সার্চ দেওয়া সম্ভব। ৩. অ্যাপগুলোর সঙ্গে আপনি কি শেয়ার করছেন তা সহজে জানা যায়। সেটিং মেনুতে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজারে গিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্ষেত্রে ‘পারমিশন’-এর তালিকা পাবেন। নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে পারমিশনের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন আপনি। ৪.আরেকটি মজার বিষয় হলো, বিভিন্ন অ্যাপের বিশেষ কিছু ফাংশন অটোমেটিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। যে ব্রাউজার ভালো লাগে বা যে পিডিএফ রিডারটি পছন্দ তা এমনিতেই চলে আসবে। ফোনটি আপনাকে ডিফল্ট অ্যাপ সেটআপ করে নিতে বলবে। করে নিলেও পরে সেটিংস থেকে ‘ক্লিয়ার ডিফল্টস’ করে নিতে পারবেন। ৫. মোবাইলের ডেটা ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। সেটিংস মেনুতে ডেটা ইউজেস নামে অপশন পাবেন। অ্যান্ড্রয়েডে আছে বিল্ট-ইন ডেটা ট্র্যাকার।

স্মার্টফোন এর ব্যবহার কি মানবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টির কারন ? আসুন জেনে নেই বিস্তারিত

আজ কথা বলব স্মার্টফোন কি আসলে মানবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টি করে?বর্তমানে আমাদের এই বাংলাদেশ এ এমন অনেক ভুল ধারনা প্রচলিত আছে এ বিষয়ে। আমি খুবই কম শব্দে আজকের টিউনটি শেষ করব। তাহলে চলুন শুরু করা যাক: একটি স্মার্টফোন বা যেকোন মোবাইল ফোন কাজ করে নানারকম তরঙ্গের ওপর এদের ভেতর কোনটির তরঙ্গ আাদান প্রদান করার ক্ষমতা কম আবার কোনটির কম,আর এই তরঙ্গের নাম হল রেডিও ওয়েভ।আর এখানে প্রথমেই যে শব্দটি আসে তার নাম রেডিয়েশন আর এটি আমাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে,কিনা না যানি কি রেডিয়েশন কখন আমাদের শরীরে কি ক্ষতি করছে,কখন যে আমাদের শরীরে কোন রোগ দেখা দেয় এই রেডিয়েশন এর কারনে। এই ভয় আমাদের প্রায় সবার। রেডিয়েশন এর কারনে মানবদেহে ক্ষতি, এমনকি ক্যান্সারও হয় তবে সব রেডিয়েশন এ তা নয়। মোবাইল ফোনে যে রেডিয়েশন/রেডিও ওয়েভ ব্যবহারব করা হয় তা হল নন-অয়োনাইজিং রেডিয়েশন। আর এই রেডিয়েশন এর কখনওই এত ক্ষমতা নেই যে এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের কোন ক্ষতি করবে। স্মার্টফোন বা মোবাইল ফোন এই রেডিয়েশনটা এতই কম শক্তি উৎপন্ন করে যে মানবদেহে প্রবেশকরার মতন ও ক্ষতি সাধন করার ক্ষমতা এর কখনই নেই। বরং স্মার্টফোন বা মোবাইল এর এই রেডিয়েশন থেকে ঘরের একটি বাল্বের রেডিয়েশন অনেক বেশি। (চিত্র থেকে না বোঝাই যায়) বর্তমানে বিজ্ঞানীরা যত পরীক্ষা করেছেন এ বিষয়ে সবাই একই ফলাফল এসেছেন স্মার্টফোন বা মোবাইল এর রেডিয়েশন ক্যান্সার এর কারন নয়। সুতরাং স্মার্টফোন বা মোবাইল ব্যবহারে ভয়ের কিছু নেই।যদি আপনার মাথা ব্যাথা বা ঘাড় ব্যাথা করে তবে তা বেশিক্ষন স্ক্রীন চোখ রেখে কাজ করার জন্য হতে পারে তাছাড়া আর কিছু না,রেডিয়েশন এর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। রাতে ঘুমের সময় আপনি ফোন মাথার কাছে রাখেন না পায়ের কাছে রাখেন আপনার কোন সমস্যা হবে না।

শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এবার আপনার ল্যাপটপকে বানিয়ে ফেলুন টাচস্ক্রীন !!! (ভিডিওসহ)

টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির ল্যাপটপ ব্যবহারের ইচ্ছা সকলেরই। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি ল্যাপটপও পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু উচ্চ মূল্যের কারণে সাধারণত অনেকেই টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
তবে সেই আক্ষেপ এবার মিটতে চলেছে সহজেই। ছোট্ট একটি ডিভাইস ব্যবহার করেই এবার যেকোনো ল্যাপটপের স্ক্রিনকে পরিণত করা যাবে টাচস্ক্রিনে!
নতুন এই ডিভাইসটির নাম ‘এয়ারবার’। এটি একটি বিশেষ ধরনের ইউএসবি ডিভাইস, যা যেকোনো ল্যাপটপে সংযোগ করা মাত্রই ল্যাপটপের স্ক্রিন পরিণত হবে টাচস্ক্রিনে।
ইউএসবি পোর্টে সংযোগ দিয়ে এয়ারবাস ডিভাইসটি ল্যাপটপের স্ক্রিনে নিচে লাগানো মাত্রই এর থেকে নির্গত একটি অদৃশ্য ল্যাপটপের ডিসপ্লেকে আবৃত করে রাখবে। আর এর ওপর টাচ করেই ল্যাপটপে টাচস্ক্রিনে কাজ করা যাবে।
সবথেকে মজার বিষয় হচ্ছে, এয়ারবার-এর সাহায্যে আপনি খালি হাতে বা গ্লাভস হাতে অথবা যেকোনো বস্তু দিয়েও ইশারা করে এর টাচ প্রযুক্তিটি ল্যাপটপে ব্যবহার করতে পারবেন।

এই ডিভাইসটির বিশেষ সুবিধা হচ্ছে এটি ব্যবহার করতে বাড়তি কোনো সফটওয়্যার লাগবে না। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত যে কোনো ল্যাপটপ ও ক্রোমবুকে এটি ব্যবহার করা যাবে। ডিভাইসটির মূল্য মাত্র ৪৯ ডলার। http://air.bar সাইট থেকে এটির প্রি-অর্ডার দেওয়া যাবে।

ভিডিওতে দেখুন এয়ারবার ডিভাইসটির সুবিধা:

কিভাবে বুঝবেন আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারী বদল করার সময় হয়েছে কি না, সাথে ব্যাটারী যত্ন রাখার জন্য করনীয়

আমরা যারা ল্যাপটপ ইউস করি তারা সব সময় কিছু কমন চিন্তায় থাকি।
১। এই ব্যাটারি কি ভাল?
২। আমি যেভাবে ইউস করতেছি সেটা কি এর আয়ু কমাচ্ছে?
৩। কিভাবে আয়ু ধরে রাখবো?
৪ কিভাবে বুঝবো ব্যাটারি চেঞ্জ করার দরকার আছে কিনা
প্রথম কথা হল ব্যাটারী সময়ের সাথে সাথে আয়ু কমবে, এটা হবেই। কিন্তু এটা অনেক ধীরে ধীরে হয়। আবার অনেকের তারাতারিও হয়। কিন্তু এটা ইউস করার উপর অনেক টা নির্ভর করে। যা আমরা নিজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারি। তা জন্য আমাদের কিছু জিনিস  বুজতে হবে।

ল্যাপটপের চার্জঃ

আমাদের মনে রাখতে হবে ল্যাপ্টপের চার্জ নির্ভর করে mWh এর উপর, মিলি এম্পিয়ার এর উপর নয়।
আবার একটা ব্যাটারীর ধারন ক্ষমতা কতটুকু আছে তাও এর উপর নির্ভর করে। সেটা আমি এখন দেখাবো কিভাবে বুজবেন যে আপনার ল্যাপ্টপের ব্যাটারীর বর্তমান ধারন ক্ষমতা কত।
এটা মেনুয়ালি বের করা যায়। কিন্তু এই সফটওয়্যার দিয়েও দেখা যা। প্রথমে পোর্টাবল সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে ওপেন করুন।
তাহলে নিচের চিত্রের মত আসবে।

এখানেই সব ইনফরমেশন পাবেন।
designed Capacity মানে হল এই ব্যাটারির বানানোর সময় এর ধারন ক্ষমতা এটাই ছিল
Full charged capacity মানে হল বর্তমানে চার্জ ফুল হলে কত চার্জ ধারন হয়।
current capacity value হল বর্তমান চার্জ
battery wear level হল আপনার বর্তমান ব্যাটারির ধারন ক্ষমতা কত, এটাই সবথেকে গুরুত্বপুর্ন। এটা যত বেশী আপনার ব্যাটারী তত ভাল আছে। নতুন ব্যাটারীর ক্ষেত্রে এটা ১০০% থাকে।

কিভাবে ব্যাটারী ভাল রাখবেন?

কিছু টিপস পালন করলে ব্যাটারী ভাল থাকে।
১। তাপমত্রা ঠিক রাখা, এটা করার জন্য আপনার এই সফটওয়্যার দরকার হবে। এটা দিয়ে বুঝবেন কত তাপমাত্রা আছে, বেশী উত্তপ্ত হলে এটা দেখায় দিবে, তাই বেশী কিছুর দরকার নাই শুধু ইন্সটল করলেই হবে।

২। সব সময় ফুল চার্জ রাখবেন, লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারী সব সময় ফুল চার্জ রাখা ভাল, চার্জ ফুল থাকার পরও প্লাগ ইন করে চালান। অনেকেই চার্জ শেষ করে আবার ফুল আবার চার্জ আবার ফুল করে। এতে ব্যাটারীর ধারন ক্ষমতে কমে যায়।
৩। কিছুদিন পর পর ব্যাটারী ক্যালিবারেশন করতে হয়। একটু আগে যে সফটওয়্যার দিয়েছি তা ইনস্টল করা থাকলেই বুঝবেন কখন দেয়া লাগবে। আবার নিয়মটাও সেখানে দেয়া আছে। এতে battery waer level বাড়ে।

কিভাবে মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড দিয়ে Fillable Form তৈরী করা যায়

কিভাবে মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড দিয়ে Fillable Form তৈরী করা যায়। প্রথমেই এখান থেকে ডেমো দেখে নিন।
প্রথমে মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড open করুন। তারপর File থেকে Option এ ক্লিক করুন, বুঝতে সমস্যা হলে নিচের চিত্র দেখুন।


তাহলে এই রকম আসবে।


এখান থেকে বাম পাশে Customize Ribbon এ ক্লিক করুন এবং ডান পাশে Main tabs থেকে “Developer”  এ টিক দিন এবং “OK”  করে বেরিয়ে আসুন।

এখন আপনার নিজের মতো করে একটা ফরম তৈরী করুন, অর্থাৎ যে ভাবে একটি CV তৈরী করা হয়, সে রকম একটা তৈরী করুন এবং ডান পাশে ফাকা রাখুন। অর্থাৎ নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকান ইত্যাদি দিয়ে।
এখন মেনু বার থেকে “Developer”  এ ক্লিক করুন। এখোন যেখানে প্রার্থীকে পূরন করতে দিতে চান কার্সর রাখুন এবং চিত্রে দেখানো স্থানে ক্লিক করুন পরপর।

এই ভাবে প্রত্যেকটা ঠিক করে নিন, এবং ওখানে বিভিন্ন অপশন পাবেন প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন।যেমন ড্রপডাউন মেনু, টিক মার্ক ইত্যাদি।
এবার আমরা ফাইলটি পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করবো, এই জন্য মেনু বার থেকে Restrict Editing এ ক্লিক করুন।

তাহলে ডান সাইডে এই রকম সাইড বার আসবে

বক্সের ভেতর যেরকম আছে সেইভাবে সেটিং করুন এবং Yes Start Inforcing Prootection এ ক্লিক করুন।
তাহলে দুই বার পাসওয়ার্ড চাইবে, পাসওয়ার্ড দিয়ে ওকে করুন এবং সেভ করুন।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ।

মাইক্রোসফট অফিস (ওয়ার্ড ও এক্সেল) এর A ➟ Z প্রয়োজনীয় সব কিবোর্ড শর্টকাট দেখে নিন এক টিউনেই

মাইক্রোসফট অফিস এ দ্রুত কাজ করতে কিবোর্ড শর্টকাট জানার বিকল্প নেই। তাই মাইক্রোসফট অফিস (ওয়ার্ড ও এক্সেল) এর সব কিবোর্ড শর্টকাট নিয়ে আজকের টিউনে হাজির হলাম।
মাইক্রোসফট অফিস (ওয়ার্ড ও এক্সেল) এর A ➟ Z প্রয়োজনীয় সব কিবোর্ড শর্টকাট (মোট ১০০টি) ক্যাটাগরি আকারে সাজানো এবং বাংলায় ব্যাখ্যা দেওয়া। বিসিএস, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকুরীর পরীক্ষায় কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সেকশনে এই কিবোর্ট শর্টকাট থেকে অনেক প্রশ্ন করা হয়।
মাইক্রোসফট আফিস একটি বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় ডকুমেন্ট প্রসেসর। অফিস, বাসা -বাড়ী, স্কুল-কলেজ সবখানেই এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। ওয়ার্ড প্রসেসিং এ দক্ষতা বাড়াতে কিবোর্ড শর্টকাটের জুড়ি নেই। কিবোর্ড শর্টকাট জানা থাকলে আপনি মাউস এড়িয়ে দ্রুত অনেক কিছু করতে পারবেন। আর তাই আজ আপনাদের জন্য থাকছে মাইক্রোসফট অফিস এর কিছু কিবোর্ড শর্টকাট।
এই ডকুমেন্টের পিডিএফ এর সরাসরি ডাউনলোড লিংকঃ

ডাউনলোড লিংকঃ

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড দিয়ে দারুন দরুন সব টেক্সট ইফেক্ট দিন

বন্ধুরা কেমন আছেন। আজ দেখাবো মাইক্রো সফট ওয়ার্ড দিয়ে কিভাবে দারুন দারুন সব ইফেক্ট দেয়া যায়। এ ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করব ওয়ার্ড আর্ট। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটি অল্প সময়ের একটা ভিডিও টিউটোরিয়াল দিয়ে দেখানো হয়েছে কিভাবে এটা করা যাবে।
ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক দিন

এক ক্লিকে ফেসবুক আইডিকে পেজ বানান (ভিডিও সহ)

টিউনের শিরোনাম দেখে অনেকেই বুঝতে পারছেন কি বুঝাতে চাচ্ছি। এই পদ্ধতি কারো জানা থাকতে পারে তাদের জন্য নয়। যারা জানেন না শুধু মাত্র তাদের জন্য। যাই হোক কাজের কথা আসি। অনেকেই তার ফেসবুক আইডিকে পেজ আকারে দেখতে চান তাদের জন্য এই টিউটোরিয়ালটি নিয়ে আসলাম। নেট ঘাটলে অনেক পদ্ধতি পাওয়া যাবে কিন্তু সে পদ্ধতি অনেক বুঝতে পারেন না। আবার বুঝলেও কিভাবে করতে হয় সেটা বুঝে করতে পারেন না। তাই একেবারেই সহজ এবং সামান্যতম সময়ে এই কাজটি করতে পারবেন।
এটা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই এই ভিডিওটি দেখতে হবে। তবে ভয় পাবার কিছু নেই ভিডিও ক্লিপটি মাত্র ৪.১৭ মিনিটের।
ভিডিও ক্লিপটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

ফেসবুক ইউজারনেম কে করুন স্টাইলিশ অথবা বানান ফেসবুক গোস্ট আইডি

আসসালামুয়ালাইকুম।
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালই আছেন।
আজকে একটি দারুন টিউটোরিয়াল নিয়ে হাজির আপনাদের মাঝে।
টাইটেল দেখেই বুঝে গেছেন। হ্যা, আপনার ফেসবুক ইউজারনেম কে বানাতে পারবেন স্টাইলিশ অথবা বানাতে পারবেন গোস্ট আইডি। গোস্ট আইডির মানে হচ্ছে,বেশির ভাগ ডিভাইসে আইডিটির কোনো নাম সো করবে নাহ।
কত চমৎকার তাই না। হয়তোবা অনেকেই জানেন। যারা না জানেন টিউন টি মুলুত তাদের জন্য।
তো চলে যায় মুল টিউটোরিয়াল এ। এর জন্য আমি বানিয়েছি একটা ভিডিও টিউটোরিয়াল যাতে আপনারা সহজেই বুঝতে পারেন। বন্ধুরা দেরি না করে জটপট দেখে নিন এই টিউটোরিয়ালটি আর বানিয়ে নিন ফেসবুক স্টাইলিশ নেম।
watch this video from here
ফেসবুক ইউজারনেম কে বানান স্টাইলিশ অথবা গোস্ট।
টিউটোরিয়ালটি ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক, টিউমেন্ট এবং শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

আপনার ফেসবুক ইউজারনেম কে বানাতে পারবেন স্টাইলিশ অথবা বানাতে পারবেন গোস্ট আইডি। গোস্ট আইডির মানে হচ্ছে,বেশির ভাগ ডিভাইসে আইডিটির কোনো নাম সো করবে নাহ।
কত চমৎকার তাই না। হয়তোবা অনেকেই জানেন। যারা না জানেন টিউন টি মুলুত তাদের জন্য।
তো চলে যায় মুল টিউটোরিয়াল এ। এর জন্য আমি বানিয়েছি একটা ভিডিও টিউটোরিয়াল যাতে আপনারা সহজেই বুঝতে পারেন। বন্ধুরা দেরি না করে জটপট দেখে নিন এই টিউটোরিয়ালটি আর বানিয়ে নিন ফেসবুক স্টাইলিশ নেম।
watch this video from here

এখনই দেখোন কি কি কারণে আপনার ফেইসবুক আইডি টি ফটোভেরিফায় অথবা টেম্পরারি লক হচ্চে (ভিডিও সহ)

নিস্ সন্দেহে আমাদের ফেইসবুক আইডি টি আমাদের কাজে অনেক গরুত্ব পূর্ণ । আইডি সুরক্ষার বিষয়ে এখানে সতর্ক হোন, না হইলে পরে পস্তাবেন ।
আমি আপনাদের জন্য একটা ভিডিও বানাইসি, কি কি কারণে আপনাদের ফেইসবুক আইডি গুলো  ফটোভেরিফায় অথবা টেম্পরারি  থেকে  বাঁচাবো
ভিডিও টি দেখতে এখানে ক্লিক করুন  ।

Open this video 

আমি এখানে লিখে দিতে পারতাম,  কিন্তু অনেকেই  অনেক কিসু বাজতো  না, তাই  ভিডিও টি দেখোন আসা করি  এর পরে আপনাদের আর কোনো প্রবলেম থাকবে না ।

facebook শুরু হলো ভিডিও টিউমেন্ট

facebook নামটা আমাদের কাছে খুবই পরিচিত।আমরা যারা স্মর্ট ফোন ব্যবহার করি।ফেইসবুক এর নাম শুনিনি বা একবারের জন্য ব্যবহার করেননি এমন ব্যবহারকারী খুঁজে পাওয়া মুশকিল, এই সোশ্যাল মিডিয়া এর মাধ্যমে, পৃথিবীর মানুষের সাথে কমিউনিটি তৈরী করতে পেরেছি এবং তথ্য আদানপ্রদান করতে পারি, এছাড়াও নিজেদের ছবি,স্টেটাস,ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার করে থাকি।আমাদের প্রদান কৃত স্টেটাস লাইক টিউমেন্ট করে থাকি, স্টেটাস কে আরো গ্রহণযোগ্য করেতুলতে আবার চালু হলো ভিডিও টিউমেন্ট অপশন |

এক বছর ধরে ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে গুরুত্বসহকারে কাজ করছে ফেসবুক। এ বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে ফেসবুকে চালু করা হয় লাইভ স্ট্রিমিং। এ ছাড়া ফেসবুকের মেসেজিং অ্যাপ মেসেঞ্জারে যোগ করা হয়েছে ভিডিওকলের সুবিধা।
ফেসবুকের প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার বব বাল্ডউইন বলেন, ‘অ্যানড্রয়েড, আইওএসের অ্যাপ এবং ডেস্কটপে ভিডিও টিউমেন্ট চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া ভিডিওকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে ফেসবুকের সব ফিচার। এত সব তথ্য জায়গা দিতে ফেসবুকের সার্ভারে বাড়তি চাপ পড়লেও আমরা ব্যবহারকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিতে চাই। তাই নিশ্চিন্তে ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করতে থাকুন’।
বব বাল্ডউইন আরো বলেন, ‘ফেসবুকে সব সময়ই ব্যবহারকারীদের চাপ থাকে। লাইক ও টিউমেন্ট সামলানোর পাশাপাশি ভিডিও কনটেন্টগুলোকে ঠিকভাবে জায়গা করে দেওয়াটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং।’
কয়েক দিন আগেই স্ন্যাপচ্যাটের একটি ফিচারের মতো করে নতুন টাইমলাইন সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এবার যোগ করা হলো ভিডিও টিউমেন্ট।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সব ধরনের কনটেন্টকে একই জায়গায় স্থান করে দিতে চাইছে ফেসবুক। আর সে কারণেই এখন ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে কাজ করছে তারা। ফেসবুকে ভিডিও কনটেন্ট জনপ্রিয় হলে সেটা ইউটিউবের মতো ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামনের দিনগুলোতে তারা ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে আরো কাজ করতে চায়। কারণ তাদের মতে, ভিডিওর মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহজতর হয়।

mobile frp bypass by reset